আরিফুল হক চৌধুরী একজন উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশী লেখক । তিনি ১৯৭০ সালে জন্ম হন কুষ্টিয়ায় । তার রচনা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি অসংখ্য গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন যা পাঠকদের আনন্দিত করেছে।
আরিফুল হক চৌধুরী অত্যন্ত সামাজিক প্রবাহের অগ্রসরিতে ভূমিকা আদায় করেছেন । তিনি অসংখ্য প্রশংসা লাভ প্রাপ্ত হয়েছেন । তাদের রচনা সাহিত্যিকের জীবন উন্নত ।
আরিফুল হক চৌধুরী: একজন মানুষের অবদান
আরিফুল হক চৌধুরী অনেক ব্যক্তিত্ব। তার মানুষের মধ্যে বিশেষ স্থান আছে।
তার সাহায্য জীবনের পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
মানুষদের মধ্যে এই ব্যক্তিত্বের আকর্ষণ প্রচুর।
সাহিত্যিক আরিফুল হক চৌধুরীর নাম
আরিফুল হক চৌধুরী বাঙালির সাহিত্যে গভীর স্পর্শ ফেলেছেন। তিনি লেখক দের মধ্যে প্রতিष्ठিত হয়েছেন । তার কাজের সুপারিশ তরুনদের কাছেই ভালোবাসা ।
আরিফুল হক চৌধুরী'র লেখার ভাষা ও বিষয়বস্তু
আরিফুল হক চৌধুরীর সাহিত্যিক রচনার ভাষা প্রধানত সুন্দর এবং স্পষ্ট। এই} ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি জ্ঞান সম্পর্কে প্রকাশ করেন। তার রচনার বিষয়বস্তু সাধারণ মানুষের জীবনের সত্যতা, ভীর এবং সামাজিক} সম্পর্কে। তার} রচনা রচয়িতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রকাশ পেয়েছে।
আরিফুল হক চৌধুরী: আমাদের সমাজে যিনি সন্মানিত
আমি আজ আপনার/এই/অত্যন্ত সম্মানের সাথে চৌধুরী আরিফুল হক এর কথা বলতে যাচ্ছি।
যিনি এই সমাজে অনেক/এটা/বেশ সম্মানের/প্রাধান্যের/পরিচয়ের উদাহরণ।
আরিফুল হক চৌধুরী'র নীতি
আরিফুল হক চৌধুরীর বিশ্লেষণাত্মক ধারণা ও মতাদর্শ সামাজিক বিশ্লেষণের আবদ্ধতায় প্রতিষ্ঠিত । আরিফুল হক চৌধুরী তার লিখন সাধারণভাবে স্মরণ করে।
- সে'র আদর্শ উদ্দেশ্যমূলক হয়।
- প্রত্যেক বৃত্তি সমাজ স্থিতি করতে সাহায্য করে।
তাঁর মতাদর্শ বিশ্ব সাহিত্যিক উক্তি একে আকৃষ্ট করে।